২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের ভূমিকম্প! উত্তরবঙ্গের পর কলকাতাসহ একাধিক জেলায় ভয়ংকর কম্পন—কেন বারবার ভূমিকম্প? ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কতটা?

আগেরদিন উত্তরবঙ্গ এবং আজ কলকাতাসহ বেশ কিছু জেলায় ফের অনুভূত হলো ভয়ংকর কম্পন।কেন ফের ভূমিকম্প?ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা কতটা ?

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের ভূমিকম্প! উত্তরবঙ্গের পর কলকাতাসহ একাধিক জেলায় ভয়ংকর কম্পন—কেন বারবার ভূমিকম্প? ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কতটা?

মধুরিমা সেনগুপ্ত, কলকাতা : কলকাতায় অনুভূত হলো ভূমিকম্প। শুক্রবার দুপুর ১টা বেজে ২৩ মিনিট নাগাদ কেঁপে ওঠে কলকাতা। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। কলকাতা ছাড়া আশেপাশের জেলাগুলিতেও অনুভূত হয়েছে ভূমিকম্প। জানা গেছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল কলকাতা থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের খুলনার কাছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, খুলনা অঞ্চলে টেকটোনিক চাপ মুক্ত হওয়ার ফলেই এই ভূমিকম্প। ডেল্টা অঞ্চলের নরম মাটির কারণে কলকাতা ও আশেপাশের জেলায় কম্পন বেশি অনুভূত হয়েছে।

গতকালই মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং। উওরবঙ্গের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিকিম। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৪.৬।

 

তবে গতকালের উত্তরবঙ্গে হওয়া সেই ভূমিকম্প কেউ টের না পেলেও, এদিন ভূমিকম্পের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে ৷ কলকাতা-সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে আতঙ্ক শুরু হয়। 

 

কয়েক সেকেন্ড টানা কেঁপেছে কলকাতার বিভিন্ন বহুতল। এদিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কলকাতা ও সংলগ্ন শহরতলি এলাকার একাধিক সরকারি অফিস, ব্যাঙ্ক, হাসপাতাল, বিদ্যালয়ে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। অনেকেই রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। ফাঁকা করে দেওয়া হয় সব অফিস। ভয়ে এবং আতঙ্কে বাড়ি, অফিস ছেড়ে অনেকে বাইরে বেরিয়ে চলে যান। কয়েকটি পুরনো বাড়ি হেলে পড়ার খবর মিলেছে।

 

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পটি ছিল মাঝারি মাত্রার, গভীরতা কম হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত কম্পন পৌঁছেছে, বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই এখনও পর্যন্ত এবং আফটারশকের সম্ভাবনা কম, তবে নজরদারি চলছে।

 

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩রা ফেব্রুয়ারি রাত ৯টা নাগাদ কলকাতায় ভূমিকম্প হয়। কম্পনের মাত্রা ছিল ৬, কম্পনের উৎসস্থল ছিল মায়ানমার।